Ad Code

Responsive Advertisement

গণতন্ত্রের স্তম্ভ ঢেকে গেল পর্দায়

 +


থাইল্যান্ডের গণতন্ত্র স্তম্ভ কাপড়ে ঢেকে দেয় বিক্ষোভকারীরা
থাইল্যান্ডের গণতন্ত্র স্তম্ভ কাপড়ে ঢেকে দেয় বিক্ষোভকারীরা
ছবি: রয়টার্স

থাইল্যান্ডে গণতন্ত্রের স্তম্ভ ডেমোক্রেসি মনুমেন্ট বড় পর্দায় ঢেকে দিয়েছে গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীরা। গতকাল শনিবার এক শোভাযাত্রা থেকে সরকার পুনর্গঠনের বার্তাযুক্ত বিশাল কাপড় দিয়ে স্তম্ভ ঢেকে দেওয়া হয়। ব্যাংকক পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গতকাল শনিবার বিক্ষোভকারীদের স্তম্ভ ঢেকে দেওয়ার বিষয়টিকে প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে কয়েক শ বিক্ষোভকারী রাজকীয় গাড়িবহরের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন।
থাইল্যান্ডের রাজা ও রানি গাড়িতে করে পাশের একটি নতুন স্থাপনা উদ্বোধন করতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা তাঁদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেননি।স্তম্ভ ঢেকে দেওয়ার পর সমাবেশে বক্তারা তাঁদের নতুন সংবিধানের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রাউত চান-ওচার পদত্যাগ ও রাজতন্ত্রের পুনর্গঠন চাইছেন তাঁরা।

দেশটির সংসদের মনোযোগের মূল কেন্দ্রবিন্দু এখন চার্টারটি। মঙ্গল ও বুধবার সংসদের সংশোধনী নিয়ে বিতর্ক হওয়ার কথা রয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজতন্ত্রের ক্ষমতা খর্ব ও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে থাইল্যান্ডে বিক্ষোভ চলছে। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রাউত চান-ওচার পদত্যাগ চাইছেন বিরোধী দলের নেতারা। তাঁদের নিয়ে আলোচনাও করেছেন তিনি। কিন্তু বিরোধী দলের চাওয়া মোতাবেক পার্লামেন্ট সেশনে পদত্যাগের দাবি নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।

কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভের মুখোমুখি হয়েছে দেশটি। জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে প্রতিবাদ করছেন। প্রধানমন্ত্রী প্রাউত চান-ওচার পদত্যাগের দাবিতে হাজারো বিক্ষোভকারী রাজধানীতে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ করছেন। তাঁরা একই সঙ্গে রাজার ক্ষমতা খর্ব করার দাবিও জানাচ্ছেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার বোন ইংলাক সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে প্রাউত চান-ওচা ২০১৪ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির ক্ষমতায় বসেন। দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ পুরোপুরি তাঁর সামরিক জান্তার অধীন।


Post a Comment

0 Comments

Ad Code

Responsive Advertisement